অপিয়ামের নেশার মত রাত ঘোরের ভেতর ঝিমোয়
আগুনের বুনন তুলে কৃত্রিম স্মৃতির প্রান্তর,
বিশ্বাস ভেঙ্গেচুরে হাতড়ে ফিরি মায়াময় পেলব ঠেঁট
অথচ যেখানেই হাত রাখি মরুভূমি ভেদ করা ক্যাকটাস,
নিদাঘ বুকে দাউ দাউ জ্বলন্ত আগুন।
আকাশসমেত ভাবনা নিয়ে পৃথিবীটাকে হাতের মুঠোয় নিয়েছি
যে হাতে কষ্টের মায়া পীড়ন, যে হাতে তোমাকে স্পর্শ করার
অক্লান্ত স্মৃতি, আমার ভালবাসার আমৃত্যু তপস্যা।
হে আমার ক্লান্তিময় জীবন, উদাসীন খেয়াল
আমাকে নি:শেষ হতে দিওনা, আমার ত্যাগের অবশিষ্ট বাকী
আমাকে পরিতৃপ্ত হতে দাও।
বদলাতে বদলাতে আমি স্তনবৃন্ত আকারে পরিণত হয়েছি
আমাকে নিয়ে বৈষম্যের অলৌকিক বিস্ময়।
আমি নক্ষত্রসমেত এক আকাশ স্থিতির ইন্দ্রিয় রহস্য
উৎপাটনে মগ্ন। আমাকে নিয়ে আমারই ভাবনার হ্যাংলাপনা
দ্বিধাগ্রস্ত নিঃশব্দ অন্তরাল…
নেশায় বুদ কামুকরাত, জ্যোৎস্নার সর গায়ে মেখে
লজ্জাবতী প্রিয়তম রমণীয় শরীরে পাক খেয়ে আছে
আমার দুটি পা, পোড়া উৎকট গন্ধ নিস্তব্ধতা ভেদ করে
পৌঁছে যায় হাঁসফাঁস করা দীর্ঘশ্বাসের ভাজে ভাজে।
দীপালি সাঁজে নেমে আসে বিষণ্ণতার ভাবনাবিলাস
হৃদ-বন্দর প্রলোভিত হয় অস্থিরতায়…
শূন্যতার শ্যাওলাবৃত উচ্ছল ফিঙেরা আজ বিতাড়িত-বিমুখ,
রাতের মদিরায় মত্ত যৌবন, গেরস্থালী ফেলে ত্রিকাল উন্মোচন করে
চঞ্চু উঁচিয়ে ভ্রান্তনগর অতিক্রম করে
লজ্জা ধুইবার জলও গড়ায়না বৃষ্টির স্রোতধারায়।
অনিবার্য আমাকে অতিক্রম করে সব,
যেন চৈত্রের শস্যক্ষেত্রের মত বিদগ্ধ শারীরবৃত্ত।
নেশাতুর রাত আমাকেই গ্রাস করে, জীবনের ক্যানভাস থেকে
থুবড়ে পড়তে থাকে আয়েশীভাবনা।
অমরত্ব নিয়ে জগত হাটে তার আপন নিয়মে,
আফিমের নেশায়বুদ রাত আমাকে মাতিয়ে রাখে
উৎসুক স্বপ্নবিলাসে, উদ্ভ্রান্ত স্মৃতির ন্যাড়া প্রতারণায়।





Leave a Reply