নিঃশব্দের প্রাচীর
মিথিলা,
দ্বিখণ্ডিত চাঁদের ছায়ায় তোমাকে দেখি,
গর্ভবতী নদীর মতো উত্তালজলের সন্ত্রাস,
তবু তুমি দীর্ঘ স্বস্তির উপকূল।
আজ আমি থেমে থাকা এক আগ্নেয়গিরি,
দাউদাউ দগ্ধ স্মৃতির নিঃস্ব অন্তরাল।
এই রাতে পূর্ণিমা বেড়াতে গেছে
ধলেশ্বরীর মেরুদণ্ডভাঙা অন্ধকার বাঁকে।
আমি দুঃস্বপ্নের কাচঘরে বন্দী,
নিজ হাতে নিভিয়েছি অপেক্ষার প্রদীপ।
তুমি কোথাও নেই।
হ্রদের নৈঃশব্দ্য ডিঙিয়ে
নাড়ির গভীরে ছায়ার শরীর।
তবু তুমি প্রাপ্তির কুসুমিত নীল পরাগ।
একদা তুমি ছিলে…
শীতের আর্দ্রতায় এক টুকরো হলুদ রোদ;
আমার সমস্ত অবিশ্বাসের বিরুদ্ধে
দাঁড়িয়ে থাকা শেষ কল্পবৃক্ষ।
আজ কোথাও তুমি নেই…
নিঃশব্দের চুম্বনে জড়িয়ে থাকা
বিবর্ণ সময়ের এক বদ্ধপ্রাচীর।




Leave a Reply