শামুকের গর্ভথেকে মধ্যরাতে চাঁদ উকি দেয়
কিন্তু সে কোন আলোকবর্তিকা নয়,
মিথিলা তোমার শুভ্র গতরের গলেপড়া কামুক রঙ,
আমার বন্ধ্যা দুচোখের অনাহত আগুন।
তুমি সেই প্রাচীন উপাখ্যানের সাক্ষী
দেখেছো অহল্যার পাথুরে শরীর,
ইন্দ্রের ছদ্মবেশ,
গৌতমের অভিশাপ,
আর সেই অনন্ত অপেক্ষা…
যার কোনো অবসান নেই।
মিথিলা, তুমিতো জানো না
আমি তোমার ভেতরের অমরত্বকে পুঁজি করি
যেখানে পুরাণের পুনরাবৃত্তি দেখি;
যেখানে প্রেম মানেই অনুপস্থিতির দীর্ঘ অনুশীলন।
দোষ কার…
ইন্দ্র, গৌতম, না কৃষ্ণ
এই হিসেব আমি জানিনা, মিথিলা।
অহল্যার মোহনমায়া, পুড়ে যাওয়া হৃতবসন্ত,
মীরাবাঈয়ের দহন,
সবটাই মিলিত হয় ,
প্রেমের নিঃশর্ত আঙিনায়।
গৌতমও হয়তো এতটা নির্লিপ্ত ছিলেন না,
যতটা আমি…
তবু আমার ভেতরে ইন্দ্রের মতোই
এক নিষিদ্ধ আকাঙ্ক্ষা জেগে থাকে,
যা জানে…
এই ছদ্মবেশ, এই প্রবেশ,
সবই শেষ পর্যন্ত অবিভক্ত সাশ্রয়, প্নণয় পরিত্রাণ।
প্রেম, কোনো বিধি নয়, নয় বিবিধ বিষয়,
এক নিমিষে ভেজা ঠোঁটে জ্বলন্ত ছাই
সে শুধু নিজেকে বিস্তৃত করে কামনার অনুষঙ্গে;
সময় ভেঙে, নৈতিকতা ভেঙে,
সকল নিয়মের ঊর্ধ্বে বেহিসেবী ভিন্নরীতি।
তাই তোমাকে দেখি…
কোনো পুরাণের ভেতর নয়,
বরং তারও আগে…
যেখানে প্রেমই একমাত্র উৎস,
আর আমরা কেবল বিকল্প উদারহরণ।
মিথিলা, দোষ কারো না,
কারণ প্রেমই
নিজের জন্য নিজেই যথেষ্ট ক্ষরণ!



Leave a comment