ফারুক আহমেদ রনি
সুখগুলো নিলামে গেলো অচিন্তপুরের হাটে
কস্মিনকালের অচেনা হাতের মুঠোয় চলে গেছে
বনেদি সব সুখ।
আমার জন্য রয়ে গেছে সন্ত্রাসী দুঃখগুলো ,
সদলবলে বুকের শোকেসে বন্দী,
যেন সর্বনাশের আগুনেগড়া দীপ্ত স্বর্ণহার।
অন্ধ চোখে আমি স্বপ্ন ছুঁই,
অন্ত্যমিল খুঁজি দিগ্বিদিক সময়ের ভেতরে
পতনের ধূসর পালক ঝরছে মায়াবনে।
সুখের বিলাসী প্রহর ছিদ্রে ঢুকেছে সুতানলি সাপ
রন্দ্রেপথের শেষ সীমান্তে শূন্যতার অগ্নিগিরি ।
ভুলের অষ্টপ্রহর জড়িয়ে ধরে সময়কে,
বিষণ্নতা আমার রক্তের উত্তরাধিকার,
তবুও স্বপ্নের প্রত্যাশা ভেসে চলে
বিশ্বাসের স্রোতে।
পূর্বপুরুষদের হাহাকার ধূপের ধোঁয়ার মতো
শূন্যে জমা হয় নীরব দক্ষিণা হয়ে।
ভ্রান্ত অপচয়ের বেসাতিতে চাপা পড়ে আছে
ক্লান্ত দিনলিপি, আর
সময়ের শরীরে খোদাই করা অদৃশ্য দহনচিহ্ন।
নৈঃশব্দ্যের প্রাচীরে টাঙানো পোড়াস্মৃতি
আর আমি কেবলই নিজের ভেতরে
লালন করি এক অদৃশ্য ছায়াবৃক্ষ।



Leave a comment