কালরাতে বিশ্বাস ভাঙার শব্দে নক্ষত্রগুলো কেঁপে ওঠেছিলো
ডানা মেলে ওড়ে বেড়াচ্ছে মাছেরা, মরুভূমিতে নৃত্য করছে
সঙ্গমক্লান্ত হরিণী। কালরাত ছিল অমাবস্যার আশ্চর্য এক ধবল রজনী
কামে উদগত আমার শরীরে চুম্বনে চুম্বনে বিষদাঁত ফুটিয়েছে
তিনজন বনেদি বেশ্যা, লউয়ের নহর দেখেছি বুকের উলান দিয়ে।

স্বপ্নের পাঁচিল ঘিরে চূর্ণস্মৃতি আমাকে হটচকিয়ে গেছে
অবাক বিস্ময়ে নতজানু আমার প্রত্যাশার বিদগ্ধ আয়োজন
দিগন্ত আলোড়িত করে শবদেহগুলো হেঁটে গেছে কবরস্থানে
মানুষ নামের অনুগত বানরগুলো মমতায় লীন হয়ে
প্রভুত্ব বরন করেছে বিস্মরণ উত্তরণে।

বিশ্বাস ভেঙেছে কাল রাতে, অমাবস্যার ধবল রাত।
যন্ত্রণার বিষাদ নিয়ে নিঃসঙ্গতা যাপন করেছে বৃক্ষরাজি
দৃশ্যমান প্রান্তরজুড়ে স্পন্দনহীন নীরবতা
আমাকে খবর দিয়ে গেছে একটি বিমূর্ত গণিকালয়ের,
মধুচন্দ্রিমার ফুলেল শয্যা বিচূর্ণ করেছে বিশ্বাসঘাতক প্রহর।

বৃষ্টি জমেছিল হাতের তালুতে, মলিন আকাশ থেকে
কালোরাত থুবড়ে পড়েছে ভয়ংকর অস্থিরতায়।
এমনই বিশ্বাস ছিল, এমনই ছিল বক্ষ-পরিভ্রমণ জাগতিক মায়া,
জগৎ সাক্ষী রেখে সুনসান নগরী উদাস ফেলে
ঢলাঢলি শূণ্যতাকে ঘিরে মসজিদের মিনারে বেধেছে পাখিরা বাসা।

Leave a Reply

Trending

Discover more from Faruk Ahmed Roni

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading