অন্ধকারে উর্বশী
চল্লিশ দশক পর তোমার আমার গোপন আয়োজন
জলের শরীর থেকে তুমি উঠে এসেছিলে
উত্তরের জানালা খুলে রেখেছিলাম সেদিন
অগত্যা আগুনের পালক ভেঙে বৃষ্টি নেমেছিলো
নিঃশ্বাস তখন বুক ছিদ্র করছে,
কিছুই বলার ছিলোনা,
৫৪০ মিনিট পার করে আলোহীন চাঁদ
বেন নেভিসে হেলান দিয়েছে।
হাতের তালুতে রয়ে গেছে কুয়াশাক্লান্ত উত্তাপ,
তুমি বলেছিলে;
আলোকিত হবে বুকের উদ্যান।
কিন্তু অস্তিত্বের গভীর খাদে সময়ের অপমৃত্যু,
রাত্রির অস্থিতে জমে ছিল প্রতীক্ষার ধ্বংসাবশেষ।
আলো নয়, অন্ধকারই প্রত্যক্ষ করে নির্মম সত্য।
আজ মনে হলো সমস্ত স্মৃতি কেবল ছায়ার অবশিষ্ট মাংস,
আর ভালোবাসা এক প্রকার অন্ধকার পদার্থ!
আমরা মিলিনি কোনোদিন;
বরং এক অজ্ঞাত অন্ধকারে
পরস্পরের প্রতিফলন হয়ে জন্মেছি।
সম্ভবত, সেটাই ছিল আমাদের একমাত্র মিলন।
মাঝে মাঝে তোমার ছায়া এসে স্পর্শ করে যায়
অঘুমের চোখ,
আর ভোরের আঙুলে ছিঁড়ে যায় প্রতিটি প্রতিশ্রুতি।
তবুও
অদ্ভুত এক আলো,
শীতলকাচে জমেওঠা তোমার নামের মতো,
এখনও দীপ্ত থাকে,
যেন সময়েরও বাইরে
এক গোপন আয়োজন চিরকাল অপেক্ষায় অস্থির।





Leave a comment