ব্যবচ্ছেদ
আমার দুঃসময় ভেবে মেঘেরাও মুখ ফিরিয়েছে. আগুণের উত্তাপ
বিবর্ণ হয়ে ছড়িয়েছে তার তাপমুখ। আমার চৌহদ্দি ঘিরে বিশ্বাস
ছিলো চিনা প্রাচীরের মত সুদৃঢ় ব্যাপ্তি নিয়ে, হঠাৎ বিতাড়িত হরিণী
যেন মুখ থুবড়ে বিধ্বস্ত করে দেয়। সংশয় অব্যাহতি দেয়নি, ক্রমশ: তীব্র
বিসর্জন আর ঐশ্বরিক ভাঙনের নেশায় প্রতিহত উচ্ছ্বাসে অতিক্রম
করছি স্বপ্নময় পথ, এবং প্রতিশ্রুতির ছাড়পত্র নিয়ে অবধারিত বেদুইন।
তন্দ্রাচ্ছন্ন আয়েশ, উন্মত্ত খেয়ালে নিশ্চুপ অপবাদের নষ্টত্ব নিয়ে
মোহনপ্রান্তর আবিষ্কার করছি, আর ব্যবচ্ছেদ করছি স্তব্ধতায় কম্পমান
চেতনার রঙিন লগ্ন ! গুমোট অন্ধকারে অভিন্ন আয়োজন
হতাশার গোপন স্থিতি খামছে ধরে আছে প্রতারণার বেসাতি।
ভালবাসা মানে নিতান্তই উত্তেজনা আয়োজন, সময়ের দুরন্ত ফাঁকি
এ যেন বিমুগ্ধ স্বপ্নমমতা আঁকড়ে থাকে হৃদপিণ্ডে, অনুভবে।
কিসের কৃত্রিম আলিঙ্গন, কেমন বীভৎস খেয়াল নিভৃতচারী
হয়ে শূন্যতায় উড্ডীন? সেঁধিয়ে যায় হিংস্রতার প্রলয় নিনাদ আর
আত্মহননের চিরঞ্জীব বিপর্যয়কে ওষ্টোগাহনে অমরত্ব এনে দেয়।
কোথাও যাবার নেই, কেউ বসে থাকেনা উৎকণ্ঠার অভিলাষে,
তবুও কোন এক বোশেখে, কে যেন এসে স্নানের জল কুড়ায়
ক্লান্ত মায়ায়, উন্মনা আর অধীর প্রতীক্ষায় বিতাড়িত সে, স্বপ্নকাতর!





Leave a comment